চতুর্দশ অধ্যায়: দীর্ঘ তলোয়ার নিলামে

অনলাইন গেমের অপ্রতিরোধ্য চোর শূকরমুখো তিন নম্বর ভাই 4499শব্দ 2026-03-20 11:29:19

চেন হাও যখন খেলোয়াড়দের জন্য ‘উন্নত ইস্পাত লম্বা তরোয়াল’ বিক্রি করার অপেক্ষায় ছিলেন, অজান্তেই তার চারপাশে অনেক লোক ভিড় জমিয়েছে। সবাই আলোচনা করছে তরোয়ালটি কত দামে বিক্রি হবে। চেন হাও পাশের মেয়েটির সঙ্গে আলাপ করতে শুরু করলেন। মেয়েটির নাম লিন শাও স্যু, চেন হাও-কে বলল, তাকে ‘স্যু এর’ বললেই হবে, কারণ তার বন্ধুরাও তাকে এভাবেই ডাকে। স্যু এর এখন ইংল্যান্ডে পড়াশোনা করছে। গ্রীষ্মের ছুটির সময় সে ‘সৃষ্টির মহাদেশ’ নামের খেলায় সময় কাটাচ্ছে। এই খেলা ইংল্যান্ডেও বেশ জনপ্রিয়, তবে খেলাটির অঞ্চল ভাগ করা—জাতি অনুযায়ী। স্যু এর চীনা বলে, তার জন্মস্থান চীনা অঞ্চলেই নির্ধারিত হয়েছে।

প্রথমে সে তার দিদির সঙ্গে খেলতে এসেছিল। কিন্তু তার দিদি পারিবারিক ব্যবসার কর্ণধার, হঠাৎ অফিস থেকে জরুরি ফোন আসায় তাড়াহুড়ো করে অফলাইনে চলে যায়। যাওয়ার আগে স্যু এর-কে এক সেট ব্রোঞ্জ সরঞ্জাম জোগাড় করে দিয়ে যায়, যাতে সে একা খেলতে পারে।

‘বুক সমান না হলে কিভাবে পৃথিবীকে সমান করা যায়’—এটাই স্যু এর দিদির সঙ্গে বাজিতে হেরে রাখা নাম। তার দিদি তখন তাকে মিথ্যে বলেছিল, খেলার মধ্যে ‘নাম পরিবর্তন কার্ড’ নামের এক আইটেম আছে, পরে পছন্দ না হলে টাকা দিয়ে নাম বদলে নিলেই হবে। এই কথায় বিশ্বাস করে স্যু এর চরিত্র সৃষ্টি করার সময় নিজের নাম হিসেবে ওইটিই বেছে নেয়। কিন্তু খেলে ঢুকে বুঝতে পারে, আসলে খেলার মধ্যে নাম পরিবর্তনের কোনো ব্যবস্থা নেই—সে সম্পূর্ণরূপে দিদির কাছে প্রতারিত হয়েছে।

স্যু এর তার দিদির সঙ্গে নানা লড়াইয়ের গল্প বলতে লাগল—প্রায় সব সময়েই সে হেরে যায়। কখনও তার টুথপেস্টে ওয়াসাবি মিশিয়ে দেওয়া, কখনও কোনো রেস্টুরেন্টে হ্যান্ডসাম ছেলেকে দেখে তার কাছে নম্বর চাইতে পাঠানো, পরে ভান করা চেনেই না; কখনও ভোরবেলা স্কুলে পাঠিয়ে ‘অভিভাবক সভা’ হবে বলে বোঝানো—এ রকম কত কী!

ছোট স্যু এর অবিরাম নিজের সব দুঃখের কথা বলল, আর চেন হাও শুনে গা শিরশির করে উঠল। স্যু এর তার দিদিকে যেন এক নিষ্ঠুর, একরোখা বড় খলনায়িকা হিসেবেই তুলে ধরল। চেন হাও-কে ঠাণ্ডা ঘাম ঝরতে দেখে স্যু এর হেসে বলল, ‘‘দাদা, তোমাকে তো বেশ ভালো মানুষ মনে হচ্ছে, চাইলে আমার দিদির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব?’’

চেন হাও তীব্রভাবে মাথা নাড়ল—সে নিজেকে সৎ মানুষ মনে করে, এমন অদ্ভুত স্বভাবের কারও সঙ্গে সম্পর্ক করতে সাহস পায় না। স্যু এর চেন হাও-এর আতঙ্ক দেখে আরও মজা পেল। সে মুখে দুষ্টুমির হাসি নিয়ে চেন হাও-এর কানে ফিসফিসিয়ে বলল, ‘‘আমার দিদি কিন্তু ভীষণ সুন্দর।’’

চেন হাও আবার মাথা নাড়ল।

‘‘আমাদের বাড়িতে অনেক টাকা, তুমি যদি জামাই হও, সারাজীবন কষ্ট করতে হবে না,’’ স্যু এর আরও এক প্রলোভন ছুড়ে দিল।

চেন হাও তবুও রাজি নয়, মনে মনে ভাবল—শুধু টাকার লোভে নিজের দেহ আর আত্মা বিক্রি করা যায় না, আমি তো নীতিমান, নতুন যুগের আদর্শ যুবক।

নিজের আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতাবানদের কাছে মাথা নত করতে পারি না!

চেন হাও-র মাথা এমনভাবে দুলছিল যে স্যু এর হাসতে হাসতে ফেটে পড়ল—এবার সে তার সবচেয়ে বড় অস্ত্র বের করল। কেবল চেন হাও-র কানে শোনা যায় এমন স্বরে বলল, ‘‘আমার দিদির বুক অনেক বড়, সত্যিকারের ই কাপ!’’

কি! ই কাপ?

এই তিনটি শব্দ শুনে চেন হাও-র চোখ বিস্ফারিত, কয়েক সেকেন্ড স্তব্ধ থেকে লজ্জায় মুখ লাল করে আবার মাথা নাড়ল।

‘‘ওহ, তাহলে দাদা বড় বুক পছন্দ করো!’’ ছোট মেয়েটি চেন হাও-র গোপন কথা বুঝে ফেলেছে ভেবে খুশি হয়ে তাকাল।

চেন হাও আরও লজ্জায় পড়ল, চোখ সরিয়ে দূরে তাকানোর ভান করল, যেন স্যু এর-এর দিকে নজর দিতেও সাহস পাচ্ছে না।

স্যু এর চেন হাও-র লজ্জা দেখে আর তাকে কষ্ট দিতে চাইল না। ‘‘আচ্ছা, আর মজা করলাম না। তবে সত্যিই আমার দিদির বুক অনেক বড়, কে জানে কি খেয়েছে এমন হলো! তাই তো ওকে ‘গরু’ ডাকি, আর ও আমাকে ডাকে ‘পাতলা মেয়ে’।’’

চেন হাও কেবল বিব্রত হয়ে হাসল, মুখের লালভাব কমল না।

এই সময় সামনে ভিড় সরিয়ে একটি দল এগিয়ে এল। চেন হাও একবার দেখেই বুঝল—এরা সাধারণ কেউ নয়। চারজনের দল, সবারই সরঞ্জাম চমৎকার।

সবচেয়ে সামনে ছিল ব্রোঞ্জ শ্রেণির বর্ম পরা এক যুবক, মুখে চরম অহংকারের ছাপ। সে সরাসরি চেন হাও-র সামনে এসে বলল, ‘‘এই তরোয়ালটা তোমার তো? আমাদের বড় ভাই বলেছে, পঞ্চাশ হাজারে কিনে নেবে।’’

চেন হাও তাকাল সেই ‘শিহুন তিয়ানশা’ নামের নেতার দিকে—সে ছিল একেবারে সেরা সিলভার শ্রেণির সাজে যুবক, কেবল তরোয়ালটি এখনও ব্ল্যাক আয়রন শ্রেণির। শিহুন তিয়ানশার চেহারা বেশ সুন্দর, মুখে অহংকার নেই, কিন্তু চেন হাও-র মনে হলো তার চোখে এক অশুভ শীতলতা আছে।

এই মানুষটা সহজ নয়—চেন হাও মনে মনে ভাবল।

শিহুন তিয়ানশার পাশে আরও দুজন—‘শিহুন জিয়ানইউ’ নামে এক শিকারি, আর ‘শিহুন শিউলো’ নামে এক চোর, চেন হাও-র মতোই। সম্ভবত তারাও শিহুন তিয়ানশার অধীনস্থ।

এই সময় ভিড়ে কেউ বিস্মিত স্বরে বলল, ‘‘ওরা তো শিহুন তিয়ানশা! তাদের গোষ্ঠী ‘শিহুন বাহিনী’ তো খেলার দানব ‘স্বপ্নাত্মা’-এর চীনা অঞ্চলের সবচেয়ে বড় দল।’’

‘‘আমি তো শুনেছি, শিহুন বাহিনী যেখানে যায় সেখানে দাপট দেখায়।’’

‘‘শুনেছি, সামনে দাঁড়ানো ছেলেটা এসটিকে গ্রুপের উত্তরাধিকারী। প্রচুর টাকার মালিক, নতুন খেলায় শক্তি গড়তে চাইলে কিছুতেই আটকানো যায় না। সে বলেছে, তার থাকা মানে সেই খেলায় একটাই রাজা থাকবে—শিহুন তিয়ানশা।’’

‘‘ভীষণ শক্তিশালী!’’

‘‘এখন তো ছেলেটির তরোয়াল বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই, কেউ তার সঙ্গে পাল্লা দেবে না।’’

এদের কথাবার্তা শুনে চেন হাও বুঝল কারা ওরা।

‘‘এই ছোকরা, দেরি করিস না, আমাদের সময় নেই। তাড়াতাড়ি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দে,’’ শিহুন বাধ্যতামূলক স্বরে বলল।

‘‘এটা...’’ চেন হাও এতটা দাপুটে ক্রেতা আগে দেখেনি, কিছুটা কিংকর্তব্যবিমূঢ়।

‘‘এটা আবার কি! আমি দেখব তো কে আমাদের শিহুন বাহিনীর সঙ্গে পাল্লা দিতে আসে,’’ শিহুন আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে আশপাশে তাকাল।

ঠিক তখনই ভিড়ের মধ্যে মধুর এক নারীকণ্ঠ শোনা গেল।

‘‘সত্তর হাজার।’’

এখনও কেউ শিহুন তিয়ানশার কথায় পাত্তা দেয় না? কে সে?

সবাই কৌতূহলী হয়ে তাকাল, ভিড় আপনাআপনি সরল।

‘‘শিহুন তিয়ানশা, অনেক দিন পরে দেখা! তোমার ঐ বদভ্যাসটা তো এখনো যায়নি, মানুষকে জব্দ করা ছাড়া পারো না।’’

এক লালচুল যুবতী যোদ্ধা এগিয়ে এল, পিছনে দুই সঙ্গী। মেয়েটি অপূর্ব সুন্দরী, কালো লোহার বর্মের সঙ্গে কয়েকটি সিলভার শ্রেণির আইটেম পরেছে, হাতে ব্রোঞ্জ তরোয়াল। এমন সাধারণ সাজেও তার শরীরে এক অদ্ভুত আকর্ষণ আছে।

‘‘আরে, ও তো ‘যুদ্ধরাজ্য’ খেলার সবচেয়ে সুন্দরী—‘এক তরোয়ালের মোহ’! সে কিন্তু হাজার তরোয়াল গোষ্ঠীর নেতা, তাহলে তারাও এখন ‘সৃষ্টির মহাদেশ’-এ প্রবেশ করছে।’’

‘‘সব বড় গোষ্ঠী এখন এখানে আসছে।’’

‘‘এটাই স্বাভাবিক, ‘সৃষ্টির মহাদেশ’ এখন সবার পছন্দের খেলা, অন্য কোথাও আর কেউ নেই। সবাই এখানে ভিড়ছে।’’

‘‘এরা এলে খেলাটা আরও জমে উঠবে।’’

‘এক তরোয়ালের মোহ’ হাসিমুখে চেন হাও-র সামনে এসে বলল, ‘‘ভাই, তরোয়ালটি আমাকে দাও, আমি সাত হাজার দেব।’’

কী সুগন্ধ! সুন্দরীটি কাছে আসতেই চেন হাও এক মাদকতাময় সুবাস টের পেল।

‘‘এক তরোয়ালের মোহ, আবার তুমি ঝামেলা করতে এসেছ? অনেক হিসাব তো বাকি!’’ শিহুন বাধ্যতামূলক ভঙ্গিতে চেঁচিয়ে উঠল।

‘‘কি, একা লড়তে চাও?’’ ‘এক তরোয়ালের মোহ’ বলতেই, তার পিছনে ‘এক তরোয়ালের চোঁখে’ নামে চোর সামনে এসে দাঁড়াল, মুখে কঠোরতা, দেখলেই বোঝা যায় সে দক্ষ।

‘‘এক তরোয়ালের চোঁখে, তোমার ভয় পাই না আমি...’’ শিহুন বলতেই, পিছনে থাকা শিহুন তিয়ানশা বাধা দিল।

‘‘আচ্ছা, এক তরোয়ালের মোহ, তুমি মেয়ে বলে এইবার ছেড়ে দিচ্ছি। আমার সময় নেই, দাম বাড়িয়ে কে নেয় দেখি।’’

‘‘ঠিক আছে, দাম বাড়িয়ে নিলে হবে,’’ এক তরোয়ালের মোহ রাজি হলো। মনে হচ্ছে, তারও টাকার অভাব নেই।

‘‘আমি দিচ্ছি এক লক্ষ।’’

চারপাশে লোকজন উত্তেজিত হয়ে উঠল।

এক লক্ষ! একেবারে এক লক্ষ, যদিও এটি সিলভার শ্রেণির একটি তরোয়াল, তবুও এখনকার উন্নতির গতিতে কয়েক দিনের মধ্যেই পুরনো হয়ে যাবে। কেবল কয়েক দিনের জন্য এত টাকা খরচ করাটা বড্ড বিলাসী ব্যাপার।

চেন হাও ভাবতেও পারেনি, তরোয়ালটি এত দামে বিক্রি হতে পারে। সে তো পাঁচ হাজারের জন্য প্রস্তুত ছিল, এতেই লাভ হতো।

‘এক তরোয়ালের মোহ’ হাসি দিয়ে বলল, ‘‘এগারো হাজার।’’

‘‘পনেরো হাজার,’’ শিহুন তিয়ানশা নির্বিকার মুখে।

‘‘ষোল হাজার।’’

‘‘এক তরোয়ালের মোহ, তুমি...’’

শিহুন বাধ্যতামূলকভাবে এগোতে চাইলে শিহুন তিয়ানশা তাকে থামিয়ে দিল।

‘‘বিশ হাজার।’’

‘‘একুশ হাজার।’’

‘‘তিরিশ হাজার।’’

মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই পাঁচ হাজার মূল্যের তরোয়াল পৌঁছে গেল ত্রিশ হাজারে—দুজনেরই একে অপরকে হারানোর প্রতিযোগিতা ছাড়া আর কিছু নয়।

টাকার জোর থাকলে এমনও হয়—দম্ভে টাকা ঢালা যায়।

‘এক তরোয়ালের মোহ’ ত্রিশ হাজার শুনে চুপ করে রইল, তারপর অসহায়ভাবে হাত তুলল, ‘‘থাক, তুমি জিতে গেলে, তরোয়াল তোমার।’’

‘‘আমার বড় ভাইয়ের সঙ্গে টাকার লড়াই করতে এসেছ! তুমি এখনো ছোট। বড় ভাই জয়ী!’’ শিহুন গর্বে উজ্জ্বল মুখে কটাক্ষ করল।

‘‘চলো,’’ এক তরোয়ালের মোহ কটাক্ষকে পাত্তা না দিয়ে চলে গেল।

‘‘এক তরোয়ালের মোহ,’’ শিহুন তিয়ানশা ডাকল, তারপর শীতল কণ্ঠে বলল, ‘‘দশ লেভেল খোলার পরে যখন পিভিপি চালু হবে, আশা করি তোমাদের গোষ্ঠী আমাদের সঙ্গে লড়াই করতে ভয় পাবে না।’’

এক তরোয়ালের মোহ হেসে ঘুরে বলল, ‘‘আশা করি, তোমরা যেন এক লড়াইয়েই ভেঙে পড়ো না।’’ বলেই চলে গেল।

শিহুন তিয়ানশা ঠাণ্ডা একটা শব্দ করল।

‘‘মানে, তরোয়াল কিনে নিলে তো? তোমাদের তো দাম বলেছেই,’’ চেন হাও ছোটলোকের মতো কথা বলার সুযোগই পাচ্ছিল না।

এবার দামি দাম দিয়ে তরোয়াল কিনে নিল শিহুন বাহিনী। চেন হাও টাকা পেলেই বুঝল, সে কতটা খুশি আর উত্তেজিত।

এক রাতে খেলে একেবারে ত্রিশ হাজার টাকা! কয়েক বছরের মাইনের সমান!

গরীবের দিন ফিরেছে, হ্যাঁ!

চেন হাও আনন্দে বিভোর, কখন শিহুন বাহিনী চলে গেল টেরই পেল না।

‘‘এই দাদা, ঠিক আছ?’’ স্যু এর দেখল, চেন হাও হাসিতে গলে গেছে, তাড়াতাড়ি চিমটি কেটে স্বপ্ন ভাঙাল।

‘‘স্যু এর, আমি কি স্বপ্ন দেখিনি তো? এমন একটা তরোয়াল কেউ ত্রিশ হাজারে কিনল?’’ চেন হাও এখনও অবিশ্বাস করছে।

‘‘তোমার উচিত আমাকে ধন্যবাদ দেওয়া,’’ স্যু এর গর্বিত মুখে বলল।

‘‘তোমাকে কেন? কেন?’’ চেন হাও অবাক।

‘‘ওই এক তরোয়ালের মোহ সুন্দরী মনে হলো?’’

চেন হাও মাথা নাড়ল, জানল না স্যু এর কেন এমন বলল।

‘‘সে আমার দিদির ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ওকে আমিই ডেকেছিলাম দাম বাড়াতে। দেখো, আমি কি চালাক না?’’ স্যু এর গর্বিত হাসল।

‘‘সে...সে, তুমি...তুমি, আমি...আমি...’’

চেন হাও কথাই হারিয়ে ফেলল।

এরপর স্যু এর এমন কথা বলল, চেন হাও আরও বিহ্বল।

‘‘আমার দিদিও ওর মতো সুন্দরী, আর ই কাপও।’’

(আপনাদের সুপারিশ আর সংগ্রহ চাই! পরের অধ্যায় সম্ভবত বারোটা পর আসবে)