É a história de um praticante de cultivo que começou do zero e, depois de conseguir um “dedo de ouro”, passa por uma série de ações, torna-se poderoso e, no fim, acaba salvando o mundo.
অগণিত জগতে, এমন একটি জগৎ আছে, যেখানে আদি আকাশ-প্রকৃতি থেকে জন্ম নিয়েছে প্রাণের আত্মা। সেই আত্মা নানা রূপে বদলে পাঁচটি মৌলিক উপাদানে বিভাজিত হয়েছে—স্বর্ণ, বৃক্ষ, জল, অগ্নি ও মৃত্তিকা। এই পাঁচটি আত্মা সহস্রাব্দ পেরিয়ে শুদ্ধ ও সংহত হয়ে, প্রত্যেকটি নিজস্ব আত্মার কেন্দ্র গড়ে তোলে, যেগুলো ক্রমশই এমন শক্তিশালী বস্তুতে পরিণত হয় যেগুলো পাঁচ উপাদানের অধীশ্বর হতে সক্ষম। এই আত্মাবস্তুদের প্রত্যেকের রয়েছে নিজস্ব চিন্তা ও স্বকীয় ক্ষমতা, কিন্তু তাদের সকলেরই এক অভিন্ন গৌরবময় দায়িত্ব—সংরক্ষণ ও এই জগতের ভারসাম্য বজায় রাখা।
পাঁচ আত্মাবস্তু নানা রূপ ধারণ করে, সকল সত্তাকে আত্মশক্তি দান করে। জীবেরা আত্মার শক্তি ব্যবহার করে নিজেদের সাধনা করতে পারে, রপ্ত করতে পারে নানা জাদু। কিন্তু যখন জীবেরা সাধনায় আত্মনিয়ন্ত্রণ হারায়, কিংবা মনে দুঃখ বা কলুষ জন্ম নেয়, তখন আত্মশক্তি তাদের অন্তরে অশুভ প্রতিচ্ছবি সৃষ্টি করে—যাকে বলা হয় হৃদয়-অসুর। এই হৃদয়-অসুর আত্মাকে পতনের পথে নিয়ে যায়, শেষপর্যন্ত দেহের ওপর আধিপত্য স্থাপন করে, বাসনার শক্তি ও আত্মা শুষে নিয়ে নিজেকে আরও প্রবল করে তোলে।
পাঁচ আত্মাবস্তু একসময় আবিষ্কার করল অশুভ শক্তি—মার জাতির অস্তিত্ব। তারা সকল জীবকে পথ দেখিয়ে, নেতৃত্ব দিয়ে, মার জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল।
এমনই এক দিনে, এক বৃদ্ধ তাঁর প্রায় আট বছর বয়সী নাতিকে নিয়ে এলেন জ্বলন্ত শিখরের পাদদেশে। ছেলেটি চারপাশের দৃশ্য দেখে মুগ্ধ—তার গ্রামে ছিল নীল আকাশ, সাদা মেঘ, সবুজ পাহাড়, স্বচ্ছ জলধারা। কিন্তু এখানে, আকাশ রক্তিম, একটিও মেঘ নেই, পাহাড় যেন অগ্নিশিখায় জ্বলছে।
বৃদ্ধ নাতির হাত ছেড়ে মাথায় হাত রেখে বললেন, “আ-ইউ, কেমন লাগছে? এখানে থাকতে ভালো লাগবে তো?”
ছেলেটি চোখ তুলে বলে, “ঠাকুরদা, এখানে তো আমাদের বাড়ির মত নয়, পাহাড়টা যেন অগ্নিকুণ্ড! আমি কি